ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সন্তান নিয়ে ট্রেনের নিচে নারীর ঝাঁপ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

হাজীগঞ্জে এক বছরের সন্তান আব্দুর রহমানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন মা তাহমিনা (২৩)। এতে কাটা পড়ে মারা যান মা-ছেলে। পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর লাশ দুটি চাঁদপুর রেলওয়ে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার বিকালে লাকসাম-চাঁদপুর রেল সড়কের হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকিমাবাদে।

তাহমিনা হাজীগঞ্জ উপজেলার ধড্ডা গ্রামের দেওয়ানজি বাড়ির রফিকুল ইসলামের মেয়ে। তার স্বামী উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের স্বর্ণা গ্রামের মাসুদ। দেড় মাস আগে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। মাসুদ বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ। তাহমিনা মৃত্যুর আগে তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে লেখা ছিল আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মহসিন মোল্লা জানান, আমার কাছে তাহমিনার স্বামীর অনেক ডকুমেন্ট রয়েছে। বিচ্ছেদের পর মাসুদ তাহমিনাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিত। সেই ক্ষোভে সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয় তাহমিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ১০:৩৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
৫২ বার পড়া হয়েছে

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সন্তান নিয়ে ট্রেনের নিচে নারীর ঝাঁপ

আপডেট সময় ১০:৩৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

হাজীগঞ্জে এক বছরের সন্তান আব্দুর রহমানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন মা তাহমিনা (২৩)। এতে কাটা পড়ে মারা যান মা-ছেলে। পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর লাশ দুটি চাঁদপুর রেলওয়ে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার বিকালে লাকসাম-চাঁদপুর রেল সড়কের হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকিমাবাদে।

তাহমিনা হাজীগঞ্জ উপজেলার ধড্ডা গ্রামের দেওয়ানজি বাড়ির রফিকুল ইসলামের মেয়ে। তার স্বামী উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের স্বর্ণা গ্রামের মাসুদ। দেড় মাস আগে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। মাসুদ বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ। তাহমিনা মৃত্যুর আগে তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে লেখা ছিল আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মহসিন মোল্লা জানান, আমার কাছে তাহমিনার স্বামীর অনেক ডকুমেন্ট রয়েছে। বিচ্ছেদের পর মাসুদ তাহমিনাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিত। সেই ক্ষোভে সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয় তাহমিনা।