ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

দুর্নীতির মধু কুমিল্লা বোর্ড

ফের নতুন বির্তকের জন্ম দিল কুমিল্লা বোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হয়েছে।

যেখানে উচ্চ আদালতের মামলা চলমান সেই ক্ষেত্রে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মহামান্য হাইকোর্টের চলমান রুল ও শোকজের আদেশকে অমাণ্য করে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যা মহামান্য হাইকোর্টকে অবমাননার সামিল। একাধিক গণমাধ্যম প্রকাশিত সংবাদটি এখন কুমিল্লার টপ অব টাউনে পরিণত হয়েছে।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি যেন কিছুতেই কমছে না।একের পর এক নানা ঘটনা নতুন নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাসের ও সচিব নূর মোহাম্মদ বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন এখন আবার উচ্চ আদালতের আদেশ কে অমান্য করে মন্ত্রণালয়কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্যর ধান্দায় আছেন বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় মন্ত্রণালয়ের আদেশকে অমান্য করে গত ০৫-০৮-২০১০ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্মারক নং শা সিম/শা :১০/১(ছাড়পত্র) – ৭/২০০৮/৫৯৭ কর্তৃক চেয়ারম্যান মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা,-চট্টগ্রাম, যশোর, রাজশাহী, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর সহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সমুয়ের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ব অনুমতি ছাড়পত্র গ্রহণের জন্য র্নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা গেল এরকম একটি আদেশ থাকা স্বতেও সাবেক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সিবিএ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মকবুল আহমেদ আনুমানিক ৩৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রথমে ১০ জন লোক নিয়োগ করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ কে অমান্য করে।
সাবেক চেয়ারম্যান কুণ্ড গুপি দাস টাকার বিনিময়ে তাদেরকে নিয়োগ প্রদান করেন । যাদের বয়স ৪৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত ভোটার আইডি কার্ডের সহিত বয়সের কোন সীমাবদ্ধতা নাই ,
মোহাম্মদ আলী, মোঃ শহিদুল হক হেলালী,(যার বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টের মামলা চলমান থাকলে ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুস সালাম অফিস আদেশ স্মারক নং : ৫সি/সস্হা/৯৬-২০ ২২/৬৭ (১৮) তারিখ ১, সেপ্টেম্বর ২০২২ হুমায়ুন কবির মজুমদার, মোঃ আলেস উদ্দিন, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তাদেরকে পদোন্নতি দেয়া হয়)
মো: আলী, রতন সরকার।,
আহমদ আলী, সন্ধ্যা রানী দাস, আনোয়ার কামাল, আলেস উদ্দিন, আব্দুল জব্বার পরবর্তীতে দুইজনকে নিয়োগ প্রদান করেন। নাঈম হোসেন জনি, সাইফুর রহমান,দুইজনের জন্ম তারিখ বয়স একই দেখানো হয়েছে. (ভুয়া আইডি কার্ড ভোটার সৃষ্টি করে ) ০১-০১-১৯৯১ এই দুই জনকেও মামলা চলাকালীন সময় নিয়োগ দিয়েছেন প্রফেসর আব্দুস সালাম।
উক্ত নিয়োগের উপর উচ্চ আদালতে জৈনক আলমগীর নামের এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন যার নং ২৬৭৮/২০১৬, বিধি বহির্ভূতভাবে জনবল নিয়োগ করার তদানীন্তন সময় তাদের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্ট রুল এবং শোকজ করেন বিচারপতি তারিকুল হাকিম, বিচারপতি বিষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয় বেঞ্চে আদেশ প্রদান করেন মাননীয় হাইকোর্ট। যার রেস্পডন্টন্স করা হয় ;Alamgir / versus
1 / the Government of People’s Republic of Bangladesh represented by the secretary Ministry of Education Bangladesh Secretariat Ramna Dhaka.
2/ Board of Intermediate Secondary Education Comilla
3/ chairman Board of intermediate Secondary Education Comilla Laksham Road Comilla
4 /secretary Board of Intermediate Secondary Education Comilla
5 /Deputy secretary borad of intermediate Secondary Education Comilla,
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জৈনক কর্মচারী বলেন অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে মামলার বিবাদীদেরকে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুস সালাম কর্তৃক প্রমোশন দিয়ে মহামান্য হাইকোর্টকে অবমাননা করেছেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড । এই বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন হাবিবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তিবিষয়টি মন্ত্রণালয় জানাজানি হলে ওই সময় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জনগণ নিয়োগের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সম্প্রীতি কুমিল্লা বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জনবল নিয়োগের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়কে বিভ্রান্ত করে জনবল নিয়োগ এর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন । যার শ্মরক নং ৫ সি/সস্হা/জনপ্রশাসন/ ২০২৩/১৩৬ তারিখ ২১, ৯, ২০২৩,
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জৈনিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করা শর্তে তিনি বলেন যে তরিগড়ি করে লোক নিয়োগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যর ফন্দি করছেন বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ।
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সচিব সম্পূর্ণ প্রতারণা করে মন্ত্রণালয়কে মামলা চলমান আছে না বলিয়া শিক্ষা বোর্ড নিয়োগের আদেশটি আনেন যা পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক. কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা বিরাজমান আছে বলিয়া জানা যায়।
ইতি মধ্যে লাখ লাখ টাকা নিয়োগের নামে কালেকশন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদক এর কাছে অভিযোগ রয়েছে বোর্ডের সাবেক সিবিএ সেক্রেটারি সৈয়দ মকবুল আহমেদের ভাগিনা, মেয়েসহ অনেককে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় টাকা লেনদেন করেছেন।
১৯৯৫ সনে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর শুধু দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, বেআইনি, আইন পরিপন্থী, জনবল নিয়োগের দুর্নীতর কারণেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক লোক নিয়োগের বিষয়টি স্থগিত করেন ।এই বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলেন । চেয়ারম্যান এবং সচিব সমস্ত কর্মচারীদের কে নিয়ে এক সভা করেন উক্ত সভায় তিনি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে দ্বেত্বহীন ভাষায় বলেন যেভাবেই হোক শিক্ষা বোর্ডের লোক নিয়োগ করা হবে । তাহলে কি তিনি মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ কে অমান্য করিয়া আইনের বিরুদ্ধে কাজ করবেন কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া অসন্তুোসের সৃষ্টি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ১০:১৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩
২৫৭ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতির মধু কুমিল্লা বোর্ড

ফের নতুন বির্তকের জন্ম দিল কুমিল্লা বোর্ড

আপডেট সময় ১০:১৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হয়েছে।

যেখানে উচ্চ আদালতের মামলা চলমান সেই ক্ষেত্রে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মহামান্য হাইকোর্টের চলমান রুল ও শোকজের আদেশকে অমাণ্য করে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যা মহামান্য হাইকোর্টকে অবমাননার সামিল। একাধিক গণমাধ্যম প্রকাশিত সংবাদটি এখন কুমিল্লার টপ অব টাউনে পরিণত হয়েছে।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি যেন কিছুতেই কমছে না।একের পর এক নানা ঘটনা নতুন নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাসের ও সচিব নূর মোহাম্মদ বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন এখন আবার উচ্চ আদালতের আদেশ কে অমান্য করে মন্ত্রণালয়কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্যর ধান্দায় আছেন বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় মন্ত্রণালয়ের আদেশকে অমান্য করে গত ০৫-০৮-২০১০ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্মারক নং শা সিম/শা :১০/১(ছাড়পত্র) – ৭/২০০৮/৫৯৭ কর্তৃক চেয়ারম্যান মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা,-চট্টগ্রাম, যশোর, রাজশাহী, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর সহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সমুয়ের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ব অনুমতি ছাড়পত্র গ্রহণের জন্য র্নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা গেল এরকম একটি আদেশ থাকা স্বতেও সাবেক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সিবিএ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মকবুল আহমেদ আনুমানিক ৩৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রথমে ১০ জন লোক নিয়োগ করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ কে অমান্য করে।
সাবেক চেয়ারম্যান কুণ্ড গুপি দাস টাকার বিনিময়ে তাদেরকে নিয়োগ প্রদান করেন । যাদের বয়স ৪৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত ভোটার আইডি কার্ডের সহিত বয়সের কোন সীমাবদ্ধতা নাই ,
মোহাম্মদ আলী, মোঃ শহিদুল হক হেলালী,(যার বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টের মামলা চলমান থাকলে ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুস সালাম অফিস আদেশ স্মারক নং : ৫সি/সস্হা/৯৬-২০ ২২/৬৭ (১৮) তারিখ ১, সেপ্টেম্বর ২০২২ হুমায়ুন কবির মজুমদার, মোঃ আলেস উদ্দিন, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তাদেরকে পদোন্নতি দেয়া হয়)
মো: আলী, রতন সরকার।,
আহমদ আলী, সন্ধ্যা রানী দাস, আনোয়ার কামাল, আলেস উদ্দিন, আব্দুল জব্বার পরবর্তীতে দুইজনকে নিয়োগ প্রদান করেন। নাঈম হোসেন জনি, সাইফুর রহমান,দুইজনের জন্ম তারিখ বয়স একই দেখানো হয়েছে. (ভুয়া আইডি কার্ড ভোটার সৃষ্টি করে ) ০১-০১-১৯৯১ এই দুই জনকেও মামলা চলাকালীন সময় নিয়োগ দিয়েছেন প্রফেসর আব্দুস সালাম।
উক্ত নিয়োগের উপর উচ্চ আদালতে জৈনক আলমগীর নামের এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন যার নং ২৬৭৮/২০১৬, বিধি বহির্ভূতভাবে জনবল নিয়োগ করার তদানীন্তন সময় তাদের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্ট রুল এবং শোকজ করেন বিচারপতি তারিকুল হাকিম, বিচারপতি বিষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয় বেঞ্চে আদেশ প্রদান করেন মাননীয় হাইকোর্ট। যার রেস্পডন্টন্স করা হয় ;Alamgir / versus
1 / the Government of People’s Republic of Bangladesh represented by the secretary Ministry of Education Bangladesh Secretariat Ramna Dhaka.
2/ Board of Intermediate Secondary Education Comilla
3/ chairman Board of intermediate Secondary Education Comilla Laksham Road Comilla
4 /secretary Board of Intermediate Secondary Education Comilla
5 /Deputy secretary borad of intermediate Secondary Education Comilla,
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জৈনক কর্মচারী বলেন অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে মামলার বিবাদীদেরকে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুস সালাম কর্তৃক প্রমোশন দিয়ে মহামান্য হাইকোর্টকে অবমাননা করেছেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড । এই বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন হাবিবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তিবিষয়টি মন্ত্রণালয় জানাজানি হলে ওই সময় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জনগণ নিয়োগের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সম্প্রীতি কুমিল্লা বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জনবল নিয়োগের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়কে বিভ্রান্ত করে জনবল নিয়োগ এর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন । যার শ্মরক নং ৫ সি/সস্হা/জনপ্রশাসন/ ২০২৩/১৩৬ তারিখ ২১, ৯, ২০২৩,
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জৈনিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করা শর্তে তিনি বলেন যে তরিগড়ি করে লোক নিয়োগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যর ফন্দি করছেন বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ।
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সচিব সম্পূর্ণ প্রতারণা করে মন্ত্রণালয়কে মামলা চলমান আছে না বলিয়া শিক্ষা বোর্ড নিয়োগের আদেশটি আনেন যা পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক. কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা বিরাজমান আছে বলিয়া জানা যায়।
ইতি মধ্যে লাখ লাখ টাকা নিয়োগের নামে কালেকশন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদক এর কাছে অভিযোগ রয়েছে বোর্ডের সাবেক সিবিএ সেক্রেটারি সৈয়দ মকবুল আহমেদের ভাগিনা, মেয়েসহ অনেককে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় টাকা লেনদেন করেছেন।
১৯৯৫ সনে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর শুধু দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, বেআইনি, আইন পরিপন্থী, জনবল নিয়োগের দুর্নীতর কারণেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক লোক নিয়োগের বিষয়টি স্থগিত করেন ।এই বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলেন । চেয়ারম্যান এবং সচিব সমস্ত কর্মচারীদের কে নিয়ে এক সভা করেন উক্ত সভায় তিনি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে দ্বেত্বহীন ভাষায় বলেন যেভাবেই হোক শিক্ষা বোর্ডের লোক নিয়োগ করা হবে । তাহলে কি তিনি মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ কে অমান্য করিয়া আইনের বিরুদ্ধে কাজ করবেন কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া অসন্তুোসের সৃষ্টি হয়।