ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম

নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে। তেমনি একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর। জানা গেছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত, কুমিল্লা-১১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কৌশলে প্রাক-প্রচারণা শুরু করেছেন। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অলিগলি, রাস্তাঘাট ও দোকানপাটে এখন শুধু দ্বাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। নির্বাচনী হাওয়ায় গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর দলীর নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কৃতিসন্তান এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর চৌদ্দগ্রাম উপজেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে নির্বাচনী মাঠ গোচানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। চৌদ্দগ্রামের গণমানুষের নেতা এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর মানুষের কল্যাণে একজন সদা নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে- জনপ্রিয়তার স্থান দখল করে নিয়েছেন। তিনি জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত থেকে, দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষের সেবায় কাজ করে আসছেন। এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর চৌদ্দগ্রামের সর্বদলীয় মানুষের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে গ্রহণ করেছেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ধর্ম-বর্ণের বৃত্তের বাইরে গিয়ে, নানা জনহিতকর কাজ করার মহান শিক্ষা অর্জনের মধ্যদিয়ে- নিজেকে একজন অপ্রতিদ্বন্ধী ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের আর্তমানবতার সেবায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো অতি ব্যাপক ও বিস্মৃত। অসংখ্য অভাবীদের অন্ন- বস্ত্র- বাসস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি, বেকারদের কর্মসংস্থানে নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ। এমন বাস্তব বহুপ্রমাণ মিলেছে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে।
এদিকে, ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে মাঠ দাঁপিয়ে বেড়ানো, সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর সময়ে সাহসী একজন নেতা হিসেবে, নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে তার বিজয় শতভাগ নিশ্চিত হবে বলে- প্রবীণ রাজনীতিবীদ ও এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন।
অন্যদিকে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা উল্লেখ করে- জনপ্রিয়তার দিক থেকে শক্তিশালী এই সম্ভাব্য প্রার্থীকে, মনোনয়ন দেয়ার বিকল্প নেই বলে ধারনা করেছেন দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
সম্ভাব্য প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশা এবং জনগণের ভালবাসাকে পূজি করে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের মনোভাব প্রকাশ করেছি। আমি প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হলে- চৌদ্দগ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ করে- দলকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে, গণ ফোরামের এই নেতা এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর আরো বলেন, চৌদ্দগ্রামকে উন্নয়নের জোয়ারে পরিনত করতে চাই। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে প্রতিটি মহল্লায় সেবাকেন্দ্র চালু করে মানুষের দোড়গোড়ায় সরকারের বিদ্যমান সেবা পৌঁছে দেব এবং চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও স্মার্ট উপজেলা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে- তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।
সাধারণ মানুষের দাবি, তিনি একজন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের কোনো অভিযোগ নেই। চৌদ্দগ্রামবাসী এবার তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। একটি নতুন বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন। যেখানে থাকবে না দুর্ভোগ। থাকবে এলাকার উন্নয়ন ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।
বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলাবাসীর নানামুখী সমাজ সেবায় কাজ করেছেন এবং বর্তমানেও কাজ করে যাচ্ছেন। বিপদ আপদে মানুষ তাকে পাশে পায়। তাই এবার তাকেই এমপি হিসেবে চান তারা।
ভোটার রিপন, কামাল, রফিকুল বলেন, এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর একজন ভালো ব্যক্তি, তিনি অতীতেও মানুষের পাশে ছিলেন। মানবিক কাজে তাকে সবসময় পাওয়া যায়। মানুষের উপকার করেছেন বলে আজ তার ডাকে সাড়া দিচ্ছেন, অন্য সব সম্ভাব্য প্রার্থীদের চেয়ে তার গণজোয়ার বইছে প্রতিটি পাড়া মহল্লায়।
এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, মানুষ হলো সমাজবদ্ধ জীব। ব্যক্তি মানুষের সব সার্থকতা সমাজকে কেন্দ্র করেই। সমাজে স্বীকৃতির ওপর নির্ভর করেই মানুষের সম্পূর্ণতা। আমাদের সমাজের দিকে তাকালে প্রতিনিয়ত আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য, যা অতি দুঃখের হলেও সত্য। আজকের আধুনিক বিশ্বের ছোঁয়া সত্ত্বেও আমরা সেকেলে সমাজব্যবস্থা হতে বেরিয়ে আসতে পারিনি। প্রাচীন সমাজব্যবস্থার কুসংস্কার, বৈষম্য ও অবমূল্যায়ন আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। শ্রেণিবৈষম্যের দিকে তাকালে দেখা যায়, সমাজের একটি গরিব লোক শিক্ষিত, মেধাবী ও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা রাখলেও আমাদের ধনতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এই লোককে সুযোগ না দিয়ে তাকে অবমূল্যায়ন করে পেছনে ফেলে রাখে, যা আমাদের জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়। পক্ষান্তরে একজন সম্পদশালী ব্যক্তি মেধা ও নেতৃত্বের যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সমাজ তাকে নেতৃত্বের ভার দেয়, যা আমাদের সমাজব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ। এই সমাজ নিয়ে আমাদেরই ভাবতে হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে আধুনিক সমাজ নিয়ে।

তিনি আরো বলেন, একটি সমাজে ধনী–গরীব নির্বিশেষে সব রকম মানুষের বাস। একটি কথা মনে রাখা ভালো, সমাজ নিয়ে ভাবনার বয়স লাগে না, প্রয়োজন চিন্তা ও মানসিকতা। শুধু নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকলে সমাজের কোনো পরিবর্তন আসবে না। ভাবতে হবে চারপাশের মানুষ নিয়ে। পরিবর্তন ছাড়া সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমাদের সবার মধ্যে সামাজিক মূল্যবোধ জাগাতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধই পারে সমাজের রূপ বদলে দিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ০৯:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩
৩৩১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম

নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর

আপডেট সময় ০৯:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে। তেমনি একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর। জানা গেছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত, কুমিল্লা-১১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কৌশলে প্রাক-প্রচারণা শুরু করেছেন। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অলিগলি, রাস্তাঘাট ও দোকানপাটে এখন শুধু দ্বাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। নির্বাচনী হাওয়ায় গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর দলীর নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জানা গেছে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কৃতিসন্তান এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর চৌদ্দগ্রাম উপজেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে নির্বাচনী মাঠ গোচানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। চৌদ্দগ্রামের গণমানুষের নেতা এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর মানুষের কল্যাণে একজন সদা নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে- জনপ্রিয়তার স্থান দখল করে নিয়েছেন। তিনি জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত থেকে, দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষের সেবায় কাজ করে আসছেন। এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর চৌদ্দগ্রামের সর্বদলীয় মানুষের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে গ্রহণ করেছেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ধর্ম-বর্ণের বৃত্তের বাইরে গিয়ে, নানা জনহিতকর কাজ করার মহান শিক্ষা অর্জনের মধ্যদিয়ে- নিজেকে একজন অপ্রতিদ্বন্ধী ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের আর্তমানবতার সেবায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো অতি ব্যাপক ও বিস্মৃত। অসংখ্য অভাবীদের অন্ন- বস্ত্র- বাসস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি, বেকারদের কর্মসংস্থানে নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ। এমন বাস্তব বহুপ্রমাণ মিলেছে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে।
এদিকে, ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে মাঠ দাঁপিয়ে বেড়ানো, সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর সময়ে সাহসী একজন নেতা হিসেবে, নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে তার বিজয় শতভাগ নিশ্চিত হবে বলে- প্রবীণ রাজনীতিবীদ ও এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন।
অন্যদিকে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা উল্লেখ করে- জনপ্রিয়তার দিক থেকে শক্তিশালী এই সম্ভাব্য প্রার্থীকে, মনোনয়ন দেয়ার বিকল্প নেই বলে ধারনা করেছেন দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
সম্ভাব্য প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশা এবং জনগণের ভালবাসাকে পূজি করে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের মনোভাব প্রকাশ করেছি। আমি প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হলে- চৌদ্দগ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ করে- দলকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে, গণ ফোরামের এই নেতা এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর আরো বলেন, চৌদ্দগ্রামকে উন্নয়নের জোয়ারে পরিনত করতে চাই। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে প্রতিটি মহল্লায় সেবাকেন্দ্র চালু করে মানুষের দোড়গোড়ায় সরকারের বিদ্যমান সেবা পৌঁছে দেব এবং চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও স্মার্ট উপজেলা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে- তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।
সাধারণ মানুষের দাবি, তিনি একজন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের কোনো অভিযোগ নেই। চৌদ্দগ্রামবাসী এবার তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। একটি নতুন বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন। যেখানে থাকবে না দুর্ভোগ। থাকবে এলাকার উন্নয়ন ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।
বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলাবাসীর নানামুখী সমাজ সেবায় কাজ করেছেন এবং বর্তমানেও কাজ করে যাচ্ছেন। বিপদ আপদে মানুষ তাকে পাশে পায়। তাই এবার তাকেই এমপি হিসেবে চান তারা।
ভোটার রিপন, কামাল, রফিকুল বলেন, এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর একজন ভালো ব্যক্তি, তিনি অতীতেও মানুষের পাশে ছিলেন। মানবিক কাজে তাকে সবসময় পাওয়া যায়। মানুষের উপকার করেছেন বলে আজ তার ডাকে সাড়া দিচ্ছেন, অন্য সব সম্ভাব্য প্রার্থীদের চেয়ে তার গণজোয়ার বইছে প্রতিটি পাড়া মহল্লায়।
এ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, মানুষ হলো সমাজবদ্ধ জীব। ব্যক্তি মানুষের সব সার্থকতা সমাজকে কেন্দ্র করেই। সমাজে স্বীকৃতির ওপর নির্ভর করেই মানুষের সম্পূর্ণতা। আমাদের সমাজের দিকে তাকালে প্রতিনিয়ত আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য, যা অতি দুঃখের হলেও সত্য। আজকের আধুনিক বিশ্বের ছোঁয়া সত্ত্বেও আমরা সেকেলে সমাজব্যবস্থা হতে বেরিয়ে আসতে পারিনি। প্রাচীন সমাজব্যবস্থার কুসংস্কার, বৈষম্য ও অবমূল্যায়ন আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। শ্রেণিবৈষম্যের দিকে তাকালে দেখা যায়, সমাজের একটি গরিব লোক শিক্ষিত, মেধাবী ও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা রাখলেও আমাদের ধনতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এই লোককে সুযোগ না দিয়ে তাকে অবমূল্যায়ন করে পেছনে ফেলে রাখে, যা আমাদের জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়। পক্ষান্তরে একজন সম্পদশালী ব্যক্তি মেধা ও নেতৃত্বের যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সমাজ তাকে নেতৃত্বের ভার দেয়, যা আমাদের সমাজব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ। এই সমাজ নিয়ে আমাদেরই ভাবতে হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে আধুনিক সমাজ নিয়ে।

তিনি আরো বলেন, একটি সমাজে ধনী–গরীব নির্বিশেষে সব রকম মানুষের বাস। একটি কথা মনে রাখা ভালো, সমাজ নিয়ে ভাবনার বয়স লাগে না, প্রয়োজন চিন্তা ও মানসিকতা। শুধু নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকলে সমাজের কোনো পরিবর্তন আসবে না। ভাবতে হবে চারপাশের মানুষ নিয়ে। পরিবর্তন ছাড়া সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমাদের সবার মধ্যে সামাজিক মূল্যবোধ জাগাতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধই পারে সমাজের রূপ বদলে দিতে।