ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত হলেন সোনালী লাইফের সিইও রাশেদ আমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত হলেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ।
দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন কারী চতুর্থ প্রজন্মের জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইনসুরেনস দেশের জীবন বীমা সেক্টরে একটি আলোচিত নাম হয়ে উঠেছে শুধুমাত্র তার দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধ, স্বচ্ছতা , জবাবদিহিতা আধুনিক ডিজিটাল সেবাপ্রদান এসব কারণে ।
একসময় প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা কে যে নিজেই ছাঁটাই করেছিলেন নারী বিষয়ক অভিযোগের কারণে, রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সে নিজেই নির্লজ্জভাবে নিচের দিকের এক নারী কর্মচারির প্রেমে পরে নিজের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাশেদ আমান ।
উল্লেখ্য, এই রাশেদ আমান দেশের একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী নেতা মোস্তফাগোলাম কুদ্দুসের বড় মেয়ের জামাতা ।
রাজত্ব, রাজকন্যা দুইই ছিল তার দেখলে। বিও, সম্মান, সাফল্য , সুখ-সমৃদ্ধি এসবের কোন কিছুই পাত্তা পায়নি রাশেদের নৈতিক স্খলনের কাছে ।
নিজ প্রতিষ্ঠানের নিচের দিকের একজন নারী কর্মচারির প্রেমে পরে ২০১৯ সালে তাকে বেআইনিভাবে গোপনে বিয়ে করেন এবং নিজের স্ত্রী, প্রতিষ্ঠান, আত্মীয় পরিজন সকলের সঙ্গে প্রতারণার নাটক চালিয়ে যান ।

একই সঙ্গে নামে বেনামে প্রতিষ্ঠান থেকে বেআইনি ভাবে নিয়েছেন অনেক আর্থিক সুবিধা। ভুয়া বিল, ভাউচারের মাধ্যমে পে-অর্ডারের মাধ্যমে আনুমানিক প্রায় ১০/১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন রাশেদ আমান, যা সম্প্রতি এক ইন্টারনাল অডিটে প্রমাণিত হয়েছে। কিনেছেন বিলাসবহুল দামি গাড়ি, ফ্ল্যাট ।
অস্ট্রেলিয়ার পড়াশুনা করা এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব ধারণকারী রাশেদ আমান অস্ট্রেলিয়াতেও কিনেছেন একাধিক বাড়ি। দ্বিতীয় স্ত্রী কেও কিনে দিয়েছেন ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি ।
৪ লাখ টাকা বেতনে চাকরি করা সিইও রাশেদ ১০/১২ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন প্রতিষ্ঠান থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ দিয়ে ।
নিজের কলঙ্কের কারণে বীমা শিল্পের অঙ্গনে সমধিক সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফকেও ক্ষতিগ্রস্ত করার পাঁয়তারা করেছেন রাশেদ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একসচেনজ কমিশন (বিএস ইসি) তে ভুয়া অভিযোগ তুলে পএ দিয়েছেন রাশেদ আমান। কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে রাশেদ তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। দুই সন্তানের জনক রাশেদ স্ত্রী সন্তানদের অত্যাচার করে বাসা থেকে বের করে দেয়। পারিবারিকভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রাশেদ আমানের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ০৬:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪
২৩৫ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত হলেন সোনালী লাইফের সিইও রাশেদ আমান

আপডেট সময় ০৬:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৪

অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত হলেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ।
দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন কারী চতুর্থ প্রজন্মের জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইনসুরেনস দেশের জীবন বীমা সেক্টরে একটি আলোচিত নাম হয়ে উঠেছে শুধুমাত্র তার দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধ, স্বচ্ছতা , জবাবদিহিতা আধুনিক ডিজিটাল সেবাপ্রদান এসব কারণে ।
একসময় প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা কে যে নিজেই ছাঁটাই করেছিলেন নারী বিষয়ক অভিযোগের কারণে, রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সে নিজেই নির্লজ্জভাবে নিচের দিকের এক নারী কর্মচারির প্রেমে পরে নিজের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাশেদ আমান ।
উল্লেখ্য, এই রাশেদ আমান দেশের একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী নেতা মোস্তফাগোলাম কুদ্দুসের বড় মেয়ের জামাতা ।
রাজত্ব, রাজকন্যা দুইই ছিল তার দেখলে। বিও, সম্মান, সাফল্য , সুখ-সমৃদ্ধি এসবের কোন কিছুই পাত্তা পায়নি রাশেদের নৈতিক স্খলনের কাছে ।
নিজ প্রতিষ্ঠানের নিচের দিকের একজন নারী কর্মচারির প্রেমে পরে ২০১৯ সালে তাকে বেআইনিভাবে গোপনে বিয়ে করেন এবং নিজের স্ত্রী, প্রতিষ্ঠান, আত্মীয় পরিজন সকলের সঙ্গে প্রতারণার নাটক চালিয়ে যান ।

একই সঙ্গে নামে বেনামে প্রতিষ্ঠান থেকে বেআইনি ভাবে নিয়েছেন অনেক আর্থিক সুবিধা। ভুয়া বিল, ভাউচারের মাধ্যমে পে-অর্ডারের মাধ্যমে আনুমানিক প্রায় ১০/১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন রাশেদ আমান, যা সম্প্রতি এক ইন্টারনাল অডিটে প্রমাণিত হয়েছে। কিনেছেন বিলাসবহুল দামি গাড়ি, ফ্ল্যাট ।
অস্ট্রেলিয়ার পড়াশুনা করা এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব ধারণকারী রাশেদ আমান অস্ট্রেলিয়াতেও কিনেছেন একাধিক বাড়ি। দ্বিতীয় স্ত্রী কেও কিনে দিয়েছেন ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি ।
৪ লাখ টাকা বেতনে চাকরি করা সিইও রাশেদ ১০/১২ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন প্রতিষ্ঠান থেকে আত্মসাৎকৃত অর্থ দিয়ে ।
নিজের কলঙ্কের কারণে বীমা শিল্পের অঙ্গনে সমধিক সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফকেও ক্ষতিগ্রস্ত করার পাঁয়তারা করেছেন রাশেদ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একসচেনজ কমিশন (বিএস ইসি) তে ভুয়া অভিযোগ তুলে পএ দিয়েছেন রাশেদ আমান। কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে রাশেদ তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। দুই সন্তানের জনক রাশেদ স্ত্রী সন্তানদের অত্যাচার করে বাসা থেকে বের করে দেয়। পারিবারিকভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রাশেদ আমানের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়েছে ।