ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে নতুন আবেদনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নোটিশ প্রেরণের জন্য তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে রিটকারীকে নতুন আবেদন আনতে বললেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান রিটকারী আইনজীবী কামরুল ইসলামকে এ নির্দেশ দেন।

এর আগে ৮ আগস্ট অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে হাইকোর্টে আবেদন করেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। এ সময় বিচারপতি. মো. খসরুজ্জামান জানতে চান— তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি কীভাবে এর শুনানি হবে।

রিটকারী আইনজীবী কামরুল ইসলাম উত্তরে বলেন, উনাকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। তবে এর তীব্র বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে নতুন আবেদন আনতে বললেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দিয়েছিলেন।

একই সঙ্গে তারেক রহমানের বিদেশের অবস্থা সম্পর্কে জানাতে পররাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার পাসপোর্টের মেয়াদের বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) একটি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদিদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, একুশে টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও তারেক রহমানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

ওই সময় বলা হয়, সম্প্রতি (তৎকালীন সময়ে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি) দেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরে তা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনার পক্ষে রিটটি করেন আইনজীবী সানজিদা খানম।

তবে সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অনলাইনে বক্তব্য দেওয়ায় ফের হাইকোর্টের আসেন রিটকারি নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

এর আগে ২ আগস্ট তারেক-জুবাইদার দুর্নীতি মামলার রায় দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আছাদুজ্জামান। রায়ে তারেক রহমানের ৯ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের দেওয়া হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ০১:৩৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
২৬ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে নতুন আবেদনের নির্দেশ

আপডেট সময় ০১:৩৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

 

অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নোটিশ প্রেরণের জন্য তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে রিটকারীকে নতুন আবেদন আনতে বললেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান রিটকারী আইনজীবী কামরুল ইসলামকে এ নির্দেশ দেন।

এর আগে ৮ আগস্ট অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে হাইকোর্টে আবেদন করেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। এ সময় বিচারপতি. মো. খসরুজ্জামান জানতে চান— তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি কীভাবে এর শুনানি হবে।

রিটকারী আইনজীবী কামরুল ইসলাম উত্তরে বলেন, উনাকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। তবে এর তীব্র বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানা সংশোধন করে নতুন আবেদন আনতে বললেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দিয়েছিলেন।

একই সঙ্গে তারেক রহমানের বিদেশের অবস্থা সম্পর্কে জানাতে পররাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার পাসপোর্টের মেয়াদের বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) একটি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদিদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, একুশে টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও তারেক রহমানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

ওই সময় বলা হয়, সম্প্রতি (তৎকালীন সময়ে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি) দেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরে তা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনার পক্ষে রিটটি করেন আইনজীবী সানজিদা খানম।

তবে সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অনলাইনে বক্তব্য দেওয়ায় ফের হাইকোর্টের আসেন রিটকারি নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

এর আগে ২ আগস্ট তারেক-জুবাইদার দুর্নীতি মামলার রায় দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আছাদুজ্জামান। রায়ে তারেক রহমানের ৯ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের দেওয়া হয়।