ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কথিত সাংবাদিক সিরাজের অপকর্মে অতিষ্ঠ জয়দেবপুরবাসী

মীর হোসেন মোল্লা (আরমান)

কথিত সাংবাদিক সিরাজ

মোঃ সিরাজুল ইসলাম। পেশায়-ফুটপাতে কাপড় বিক্রেতা। একসময় ফুটপাত থেকে হলেন দোকানদার। অথচ এখন রাতারাতি বনে গেলেন সাংবাদিক। নানা অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে ওঠেন নামধারী এই সাংবাদিক। কখনো সাংবাদিক, কখনো আইনের সহায়ক, আবার কখনোবা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
জানা যায়, গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মনিপুর এলাকার পিরুজালী (ময়তা পাড়া) গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪০) নামক একজন কাপড় ব্যবসায়ী সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের যোগসাজসে সাধারন মানুষের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে, নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী বানিয়ে হয়রানী করার ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। জয়দেবপুর থানার ভবানীপুর গজারি বন এলাকায় অবস্থিত রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট এন্ড ভিলেজ লিমিটেডের কথিত সাংবাদিক সিরাজ দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে খুব চাঙ্গাভাবে। তার এসব অপকর্মে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে থানা পুলিশের ভয় দেখিয়ে অতঃপর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিংবা ব্যক্তির কাছে দাবিকৃত চাঁদা না পেলে সংবাদ প্রকাশের হুমকিসহ বিভিন্নভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে দাবড়ে বেড়াচ্ছেন উপজেলার এ প্রান্তর থেকে ওপ্রান্তর পর্যন্ত। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জয়দেবপুর উপজেলাবাসী। প্রশাসনের নাকের ডগায় একের পর এক অপরাধ করে বেড়াচ্ছেন।


একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্ট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাদাবির অভিযোগ রয়েছে। জয়দেবপুর থানার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সোর্স হিসেবেও কাজ করেন এই কথিত সাংবাদিক সিরাজ। নিজের কোন পত্রিকা না থাকলেও নামসর্বস্ব একটি ভুইপোড় অনলাইনের কার্ড কোমড়ে ঝুলিয়ে দিব্বি সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে চলেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তার অপ-সাংবাদিকতার কাছ থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
এসব ভুয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা না নেয়া হলে সাংবাদিক সমাজ কলঙ্কিত হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করলেন সুশীল সমাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ভুয়া সাংবাদিক সিরাজের নেই কোন একাডেমিক সনদ। নিউজ সম্পর্কে নেই কোনো ধারণা। এরপরও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্নভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করতে থাকেন।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক উপজেলার বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রশাসন এসব ভুয়া ও নামধারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তার বিরুদ্ধে আরো অনেক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ চলছে। বিস্তারিত আসছেৃ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ১০:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩
১৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

কথিত সাংবাদিক সিরাজের অপকর্মে অতিষ্ঠ জয়দেবপুরবাসী

আপডেট সময় ১০:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

মোঃ সিরাজুল ইসলাম। পেশায়-ফুটপাতে কাপড় বিক্রেতা। একসময় ফুটপাত থেকে হলেন দোকানদার। অথচ এখন রাতারাতি বনে গেলেন সাংবাদিক। নানা অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে ওঠেন নামধারী এই সাংবাদিক। কখনো সাংবাদিক, কখনো আইনের সহায়ক, আবার কখনোবা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
জানা যায়, গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মনিপুর এলাকার পিরুজালী (ময়তা পাড়া) গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪০) নামক একজন কাপড় ব্যবসায়ী সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের যোগসাজসে সাধারন মানুষের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে, নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী বানিয়ে হয়রানী করার ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। জয়দেবপুর থানার ভবানীপুর গজারি বন এলাকায় অবস্থিত রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট এন্ড ভিলেজ লিমিটেডের কথিত সাংবাদিক সিরাজ দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে খুব চাঙ্গাভাবে। তার এসব অপকর্মে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে থানা পুলিশের ভয় দেখিয়ে অতঃপর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিংবা ব্যক্তির কাছে দাবিকৃত চাঁদা না পেলে সংবাদ প্রকাশের হুমকিসহ বিভিন্নভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে দাবড়ে বেড়াচ্ছেন উপজেলার এ প্রান্তর থেকে ওপ্রান্তর পর্যন্ত। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জয়দেবপুর উপজেলাবাসী। প্রশাসনের নাকের ডগায় একের পর এক অপরাধ করে বেড়াচ্ছেন।


একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্ট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাদাবির অভিযোগ রয়েছে। জয়দেবপুর থানার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সোর্স হিসেবেও কাজ করেন এই কথিত সাংবাদিক সিরাজ। নিজের কোন পত্রিকা না থাকলেও নামসর্বস্ব একটি ভুইপোড় অনলাইনের কার্ড কোমড়ে ঝুলিয়ে দিব্বি সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে চলেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তার অপ-সাংবাদিকতার কাছ থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
এসব ভুয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা না নেয়া হলে সাংবাদিক সমাজ কলঙ্কিত হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করলেন সুশীল সমাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ভুয়া সাংবাদিক সিরাজের নেই কোন একাডেমিক সনদ। নিউজ সম্পর্কে নেই কোনো ধারণা। এরপরও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্নভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করতে থাকেন।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক উপজেলার বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রশাসন এসব ভুয়া ও নামধারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তার বিরুদ্ধে আরো অনেক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ চলছে। বিস্তারিত আসছেৃ