ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদ :

রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী ব্যাংক কলোনিতে গাজী নাজিউর রহমান নাদিম (২৪) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাদিমের মামা মো. গাজী জহির বলেন, বৃহস্পতিবার নাদিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সন্ধ্যার পর বাসায় আসেন। এরপর কাউকে কিছু না বলে তিনি তার রুমে যান। পরে তাকে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর দরজা ভেঙে রুমে গিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে মাফলার পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আমার বোন ও ভগ্নিপতি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামপুরা থানার ওসি মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনার পর একজন এসআইকে ঘটনা তদন্তে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি অন্য কোনো রহস্য আছে তা তদন্তের পর বলা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dainik Renaissance

আমাদের ওয়েসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপনাদের আশে পাশের সকল সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন
আপডেট সময় ০১:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৮৯ বার পড়া হয়েছে

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:০০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী ব্যাংক কলোনিতে গাজী নাজিউর রহমান নাদিম (২৪) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাদিমের মামা মো. গাজী জহির বলেন, বৃহস্পতিবার নাদিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সন্ধ্যার পর বাসায় আসেন। এরপর কাউকে কিছু না বলে তিনি তার রুমে যান। পরে তাকে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর দরজা ভেঙে রুমে গিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে মাফলার পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আমার বোন ও ভগ্নিপতি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামপুরা থানার ওসি মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনার পর একজন এসআইকে ঘটনা তদন্তে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন। তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি অন্য কোনো রহস্য আছে তা তদন্তের পর বলা যাবে।